দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের মাত্র দুই দিনের মাথায় দক্ষিণ লেবাননে নিহত হয়েছেন চার ইসরাইলি সেনা। শুক্রবার (১৯ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা চুক্তির পর এটিই ইসরাইলের প্রথম প্রাণহানির ঘটনা।
ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের কাফর তেবনিত এলাকায় একটি মার্কাভা ট্যাংকে অবস্থান করছিলেন চার সেনা কর্মকর্তা। এ সময় হিজবুল্লাহর পেতে রাখা একটি বিস্ফোরক ট্যাংকটিতে আঘাত হানে। এতে ট্যাংকের ভেতরে থাকা ৫২তম ব্যাটালিয়নের চার কমান্ডার নিহত হন।
নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় প্রকাশ করেছে আইডিএফ। তিনি হলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল ডর গেদালিয়া বেন শিমন। বাকি তিন সেনার নাম এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
ঘটনাটি এমন সময়ে ঘটল, যখন মাত্র দুই দিন আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তিতে আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর করেন। ওই চুক্তির আওতায় লেবাননের সংঘাতও বন্ধ হওয়ার কথা ছিল। তবে এই হামলা সেই সমঝোতার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।
আইডিএফ জানিয়েছে, ট্যাংকটি কীভাবে আঘাতের শিকার হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খোলা হ্যাচ দিয়ে একটি বিস্ফোরক ড্রোন প্রবেশ করতে পারে। এছাড়া অ্যান্টি-ট্যাংক ক্ষেপণাস্ত্র বা অন্য কোনো ড্রোনের আঘাতের সম্ভাবনাও তদন্ত করা হচ্ছে।
হামলার পর দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবারের হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে এক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, তারা ইসরাইলি সেনাদের ওই এলাকায় ফাঁদে ফেলে হামলা চালিয়েছে।
সংগঠনটি জানিয়েছে, ‘নির্দেশিত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে তিনটি মার্কাভা ট্যাংক লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে, যা ধ্বংস হয়ে গেছে।’
হিজবুল্লাহ আরও দাবি করেছে, হামলার পর ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে রকেট ও গোলাবর্ষণ অব্যাহত রাখা হয়েছে।
সূত্র: সিএনএন
এমএস/